Articles |
(১ম পর্ব) (সুরা আরাফঃ১৭৫-১৭৬) আল্লাহ তা’আলা কুরআনের সপ্তম সুরা আরাফের, -যেটা একটি অন্যতম দীর্ঘ মাক্কী সুরা- শেষের দিকে বলেছেন যে উনি নিজেই আয়াত ব্যাখা করেন। আমরা জানি যে আল্লাহ অধিকাংশ সময়ই বলেছেন উনি আমাদের কাছে আয়াত নাজিল করেছেন কিন্তু কখন কখনো এও বলেছেন যে, ‘وَكَذَٰلِكَ نُفَصِّلُ الْآيَاتِ ’ ‘এভাবেই আমরা, আমাদের আয়াতগুলোকে ব্যাখা করি’। আয়াত শব্দটি দিয়ে শুধু ওহীই বোঝায় না, এটা দিয়ে বাস্তব জিনিসও বোঝায়। আল্লাহ আমাদের চারিপাশের সবকিছুই ব্যাখা করেছেন, এবং যখনি কোন কিছু ব্যাখা করেছেন, তার পেছনে অবশ্যই কোন উদ্দেশ্য আছে। আর এই নিদৃষ্ট আয়াতে যে উদ্দেশ্য বর্ণনা করা হয়েছে তা কিছুটা অদ্ভুত কারন আল্লাহ বলেছেন ’ লা আল্লাহুম ইয়ারজিয়ুন’, ‘’যেন তারা ফিরতে পারে’। আল্লাহ এই আয়াতটিতে একটা কিছু ব্যাখ্যা করতে যাচ্ছেন আর তার উদ্দেশ্য হচ্ছে যারা আল্লাহ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে তাদের সাথে কথা বলা, তারা যেন আবার ফিরতে পারে। এটাই এর উদ্দেশ্য। এই কারণেই উনি বলেছেন, ’ লা আল্লাহুম ইয়ারজিয়ুন’। যেন তারা ফিরতে পারে। এই আয়াতে একটি অদ্ভুত কাহিনী বলা হয়েছে, অনেক সময় এমন হয় যে কুরআনে আল্লাহ কোন কাহিনী হয়তো বলেছেন কিন্তু সেই কাহিনীর চরিত্রগুলোর নাম, তাদের বিস্তারিত পরিচয় জানান না। জায়গার বা সময়ের ব্যাপারেও বলেন না। বা এর পেছনের ইতিহাসের কোন নির্দিষ্ট বর্ননা নেই যার মাধ্যমে আমরা পুরো ঘটনাটা জানবো। যা সাধারণত যে কোন ইতিহাসের বই থেকে ভিন্ন। প্রকৃতপক্ষে, এই আয়াতের ভাষা এতই সাধারণ যে এটা যে কারো জন্যই প্রযোজ্য হতে পারে। কিন্তু তা স্বত্তেও আল্লাহ এটিকে নির্দিষ্ট করেছেন এই বলে যে ‘وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ الَّذِي آتَيْنَاهُ آيَاتِنَا’ ‘ আর আপনি তাদেরকে শুনিয়ে দিন, সে লোকের অবস্থা, যাকে আমি নিজের আয়াতসমূহ দান করেছিলাম। এখন কে এই ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ তাঁর আয়াত দিয়েছেন? প্রথম লক্ষ্যণীয় জিনিসটি হচ্ছে ‘ওয়াতলু’ শব্দটি। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মক্কার...
Articles |
আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের অত্যাবশ্যকীয় ফলাফল হলো, আপনি অবশ্যই, অবশ্যই, অবশ্যই পরকালে বিশ্বাস করবেন। এটা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসের ফলেই হয়। আপনি যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস না করেন, তখন আপনার জন্য এটা মেনে নেওয়া খুবই কঠিন হয়ে যাবে যে, এই জীবনের পরে আরও একটি জীবন আছে। কিন্তু আপনি যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেন, তাহলে এই বিশ্বাসেরই যৌক্তিক পরিণতি হলো পরকাল। কিভাবে? আপনি যদি আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস করেন, তাহলে আপনি এবং আমি কি এটা বিশ্বাস করি না যে, তিনি সকল কাজই নিখুঁতভাবে করেন? তিনি একদম নির্ভুল, তাই না? আপনি যদি কোন নাস্তিক, দার্শনিক কিংবা অজ্ঞাবাদীর সাথে কথা বলেন, তারা বলবেন, যদি কোন সৃষ্টিকর্তা থাকতো তাহলে তিনি সকল ক্ষেত্রে নিখুঁত – নির্ভুল হওয়াই যুক্তিসঙ্গত। সুতরাং, তাঁর কোন কাজে যদি এই নির্ভুলতার গুণ বা উৎকর্ষের কিছু কম হয়, তাহলে তিনি আর সৃষ্টিকর্তা নন। তিনি যা করেন তা-ই নির্ভুল হওয়ার কথা। এখন, তিনি এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তাই না? হ্যাঁ, তিনিই সৃষ্টি করেছেন। তাহলে চারপাশে লক্ষ করলে আপনি কি দেখতে পান? ন্যায়বিচার নাকি অন্যায়। আপনি ন্যায়বিচার দেখতে পান না, আপনি চারপাশে অন্যায় – অবিচার দেখতে পান। আপনি দেখেন যে, নিরপরাধ মানুষদেরকে হত্যা করা হচ্ছে। আপনি দেখতে পান যে, ছোট শিশুরা রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। আপনি আরও দেখতে পান, খুনীরা হাজার হাজার মানুষ হত্যা করে পার পেয়ে যাচ্ছে। যখন একজন মানুষ অন্য দশজন মানুষকে হত্যা করে, এজন্য আপনি তাকে সর্বোচ্চ কি করতে পারেন ? কোন শাস্তিটি তার জন্য সবচেয়ে ন্যায়সঙ্গত হতে পারে ? আপনি তাকে হত্যা করতে পারেন। হ্যাঁ, কিন্তু কতবার ? মাত্র একবার! যদি সে একজনকে হত্যা করে, তাহলে আপনি তাকে একবার হত্যা করতে পারেন, যদি সে এক হাজার মানুষ হত্যা করে, তাহলেও আপনি তাকে একবারই হত্যা করতে পারবেন। আপনি খুব সহজেই এই সিদ্ধান্তে আসতে...
Articles |
আমার আব্বা ছিলেন খুবই সৎ, কোন হারাম কখনো তাকে স্পর্শ করতে পারতো না। এ কারণে বাড়ীতে কিছুটা সংযমের হালত বিরাজ করতো। পরিবারের এই টানাটানির অবস্থা দেখে আমার মাথায় টাকা কামাই করার নেশা চাপল। কিভাবে দু’হাতে টাকা কামাই করা যায়, সেই নেশায় হন্যে হয়ে উপায় খুঁজতে লাগলাম। ছোটবেলা থেকে আমার গলা ছিল খুব সুন্দর। আমি সেই গলা কাজে লাগিয়ে সঙ্গীত চর্চা শুরু করলাম। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে চারদিকে আমার বিশেষ সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ল। এভাবে এক সময় আমি দেশের সেরা শিল্পীতে পরিণত হলাম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আমন্ত্রণ আসতে থাকলো। বাংলাদেশ আর ভারত ছাড়া বিশ্বের সব দেশে গান গাইলাম। আমি একেকটা গানে লাখ লাখ টাকা কামাই করতে থাকলাম। গাড়ী-বাড়ী সবই হল। কিন্তু তারপরও মনে কেন যেন শান্তি পেতাম না। ২০০৩ সালের কথা। একদিন জুন মাসের প্রচণ্ড গরমে করাচীর রাস্তা দিয়ে গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছিলাম। বাইরে তখন লু-হাওয়া বইছে। রাস্তায় পায়ে হাঁটা মানুষের সংখ্যা খুব কমই পরিলক্ষিত হচ্ছিল। এমন সময় দেখি, তাবলীগের কিছু ভাই গাশতে বের হয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন। আর তাদের শরীর দিয়ে ঝর ঝর করে ঘাম ঝরছে। জামা-কাপড় সব ভিজে গেছে। তাদেরকে দেখে মনে মনে বললাম, লোকগুলো পাগল ছাড়া আর কি! নিজেদের আরামও নষ্ট করছে, অন্যদেরকেও বাড়ী থেকে বের করে কষ্টের মধ্যে ফেলার ফিকির করছে। পরে চিন্তা করলাম, আমি এই এসি গাড়ীতে কত আরামে বসে আছি। কিন্তু এরা কিসের জন্য নিজেদেরকে এই কষ্টের মধ্যে ফেলছে? কেন তারা এই ত্যাগ স্বীকার করছে? এ কথা চিন্তা করে তাদের প্রতি আমার ভক্তি-শ্রদ্ধা জন্মালো। তখন আমি তাদের দু’আ নেয়ার জন্য গাড়ী ঘুরিয়ে একেবারে তাদের আমীর সাহেবের সামনে গিয়ে ব্রেক কষলাম। আমীর সাহেব হতচকিত হয়ে গেলেন। আমি গাড়ী থেকে তাকে সালাম দিলাম। তারপর বললাম, আপনারা অত্যন্ত ভাল কাজ করছেন। আমার জন্য দু’আ করবেন। আমীর সাহেব...
Articles |
১- প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুন (আশ্হাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা- শারী কা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ) এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। (১) ২- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন। (২) ৩- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুন এতে আপনার অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। (৩) সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে। (৪) ৪- প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। (৫) ৫- রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল (সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন। (৬) ৬- সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পরলে সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে। (৭) ৭- সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশী সওয়াব আর কারো হবে না। (৮) ৮- সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করলে অগণিত সওয়াব হবে। (৯) ৯- বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল...
Articles |
পি.এইচ.ডি ছাত্রদের প্রধান উপদেষ্টাঃ সন্দেহ থেকে একনিষ্ঠ দৃঢ় বিশ্বাসের পথে যাত্রা তিনি প্রচন্ড মেধাবী ও ধীশক্তিসম্পন্ন সৃষ্টিশীল ছিলেন। যুবক বয়সে দর্শন (ফিলোসফি) পড়ে প্রভাবিত হন এবং “সকল ধর্ম মনুষ্য-সৃষ্টি” – এই উপসংহারে প্রতিজ্ঞ হন। তার ভাবনা ছিল কেবল কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষরাই স্বর্গ ও নরকে বিশ্বাস করে আর এভাবে তিনি ধর্মে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। তিনি মনে করতে থাকেন তার আশেপাশের অনেক লোকই ধর্মে বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে কিন্তু উচ্চারণ করতে ভয় পাচ্ছে। তিনি মনে করেন তারা ধর্মকে চর্চা করে, কারণ এটা পরিবারে চর্চিত হয় এবং তারা এটা নিয়ে চিন্তাও করে না। পরবর্তীতে তিনি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে যান সেখানে সেকুলার পরিবেশ থাকার কারণে তার অবিশ্বাসের কথা প্রকাশ করেন। ইরাক মুসলিম দেশ হলেও সেখানকার ভার্সিটিগুলো খুবই লিবারেল এবং সেকুলার প্রকৃতির আর সেকারণে সবাই স্বাধীনচেতা হিসেবে থাকত। কিন্তু তিনি চিন্তাশীল ব্যক্তি ছিলেন আর সেজন্য ধর্ম সত্য হতে পারে এরকম একটা “সম্ভাবনা” রাখতেন। “কমপক্ষে সম্ভাবনা থাকতে পারে যে ধর্ম সত্য হতে পারে”, ‘সম্ভাবনা’-কে তো আর প্রত্যাখ্যান করা যায় না। আর সেজন্য তিনি কিছু নোট লিখতে শুরু করেন যেগুলো “ধর্মের পক্ষে” এবং “ধর্মের বিপক্ষে” ছিল। তার সম্মুখে প্রাথমিকভাবে দু’টি উপায়ন্তর রাখেনঃ ১. এটা কি সত্য? ২. নাকি সত্য নয়? কিন্তু দ্বিতীয় ধরণের প্রশ্নও ছিল তার কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৩. যদি এটা সত্য হয় তবে কী? (তাহলে আমার জীবন কেমন হবে?) ৪. আর যদি সত্য না হয় তবে কী? (তাহলে আমার জীবন কেমন হবে?) বেশিরভাগ মানুষের জন্য প্রথম ধরণের প্রশ্নের কোন প্রধানতম কারণ থাকে না। তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায় আমি যদি ধর্মগ্রহণ করি অথবা না করি তবে “আমার জীবন কেমন হবে?” বেশিরভাগ মানুষ ধর্মে থাকে কারণ তার পরিবার কষ্ট পাবে যদি ধর্মত্যাগের কথা শুনে। তাই তারা এটা প্রকাশ করে না। তারা ভাবে ধর্ম না মানলে...
Articles |
একটি বিষয়ে আজ সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাঝে মাঝে আমি কোনো প্রেক্ষাপট ছাড়াই কুরআনের আয়াত নিয়ে আলোচনা করতে পছন্দ করি। আবার কখনও আমরা যে যুগে বাস করছি তার প্রেক্ষাপটে কুরআনের আয়াত নিয়ে কথা বলি। আমি প্রায়ই একটা সমস্যা দেখতে পাচ্ছি , যা নতুন কিছু নয়, তারপরও ইদানিং এটি আরও বেশি দেখছি, এই ব্যাপারে ইমেইল পাচ্ছি, আমার সাথে এ ব্যাপারে অনেকে যোগাযোগও করছে। বিষয়টা এরকম যে, অনেকের ধারণা কুরআনকে আমাদের সর্বপ্রথম গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত, আর রাসূল (সঃ) এর সুন্নাহ হবে গুরুত্বের দিক থেকে দ্বিতীয়। অনেকে বলে তা নাকি প্রশ্নবিদ্ধ, বা বলে আমরা নিশ্চিন্ত নই যে কুরআনের মত হাদীস সংরক্ষিত কিনা। রাসূল (সঃ) এর সুন্নাহ অনেকভাবে সমালোচিত হচ্ছে, এমনকি ফিলোসফিকাল অবস্থান থেকেও সমালোচিত হচ্ছে। সমালোচনাগুলোর মধ্যে অন্যতম হল যে, সুন্নাহ ওতোটা সংরক্ষিত নয়। অর্থাৎ কুরআনের মত সুসংরক্ষিত নয়। আর আরেক রকম সমালোচনায় বলা হয় যে, এই সুন্নাহ যদি সংরক্ষিত হয়েও থাকে, যে ব্যাপারটা মুহাম্মদ (সঃ) কে রাসূলের মর্যাদা দিয়েছে, তা হলো উনি আল্লাহর বার্তা ছড়িয়ে দিতেন, আর এই বার্তাটা হল কুরআন। তাহলে আমাদের চোখ থাকবে শুধু ঐ বার্তার উপর, অর্থাৎ মূখ্য হবে শুধু কুরআন। আর এটা নিয়ে আমাদের নাকি বিভ্রান্ত হওয়ারও দরকার নেই, সুন্নাহর অস্তিত্ব আছে আরকি, তা নাকি কুরআনের মত অতোটা প্রয়োগযোগ্য নয়। আর কিছু মানুষ সব সীমা অতিক্রম করে এটাও বলেছে যে, অতিপবিত্র পথপ্রদর্শনের উৎস হিসেবে সুন্নাহকে নেওয়া নাকি শির্কের সমপর্যায়ে পড়ে। কারণ কিনা আপনি একজন নির্দিষ্ট মানুষের আচার আচরণকে গ্রহণ করছেন, আর সেটাকে আল্লাহর বাণীর সাথে সমতুল্য করছেন। এইরকম বিতর্ক এখনও চলছে, অনলাইনে আছে, অনেক মানুষ এসব আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইত্যাদি। আর আমি এরকম ধরণের সমালোচনা অথবা অদ্ভুত চিন্তাভাবনার সামনে পড়েছি অনেক পরে। আপনাদেরকে ব্যক্তিগতভাবে বলছি, আমি কুরআনের ছাত্র হয়েছি প্রায় পনের বছর আগে এবং এই কিতাব...