আলহামদুলিল্লাহ আমরা ইতিমধ্যে বুঝে গেছি আরবী ভাষা শেখার গুরুত্ব। কুর’আন পড়ে না বুঝলে জীবনের একটা বড় অংশ অপূর্ণই থেকে যাবে। এখন সরাসরি চলে যাই অনলাইনে যত রিসোর্স আছে আরবী ভাষা নিয়ে সেগুলোতে। ১। উস্তাদ নুমান আলী খান তার বড় মেয়ে হুসনা কে আরবী শিখাচ্ছেন আর এর সাথে সাথে এর ভিডিও তৈরি করা হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যে। তার কোর্সটি পাবেন www.bayyinah.tv তে। সাইটটি সাবস্ক্রিপসন করে প্রবেশ করতে হয়। তবে আপনি ফ্রীতে পাবেন এখানে অ্যাপ্লাই করেঃ gift.bayyinah.com ২। মাদীনা আরাবীক ১-২-৩ টি বই এর উপর খুবই বিস্তারিত আর সম্পূর্ণ ক্লাসটি এই সাইটে পাবেন http://www.lqtoronto.com/ তে। কোর্সটির মাধ্যমও ইংরেজী ভাষাতেই করা। এই সাইটের উপর ভিত্তি করে অনেক সাইট তৈরী হয়েছে। সেই হিসেবে এই সাইটটি ভাল লেগেছে আমাদের http://www.learnarabic.info/ এখানে এই কোর্সের জন্য যাবতীয় সব বই, ইউটিউব লিংক ইত্যাদি পাবেন ডাউনলোডের জন্য। ৩। মুহাম্মদ হাসান নামে এক ভাই ইউটিউব টিউটোরিইয়াল শুরু করেছেন বাংলা ভাষাতেই। এই সিরিজ এখনও চলছে। লিংকঃ https://www.youtube.com/channel/UCbZbhGmU4B-wZu3Y_acwz5Q/playlists ৪। কুরআনীয় আরবী ভাষা শিক্ষা খুবই চমৎকার একটি সাইট আরবী ভাষা শিখার জন্য। পুরা সাইটি বাংলায় আর ফ্রী। সহায়ক বই আছে ” আল কুরআনের ভাষা” যার লিখক এস এম নাহিদ হাসান যিনি এই পুরা প্রজেক্টার পরিচালক এবং শিক্ষক। বইটি পাওয়া যাবে http://www.wafilife.com/ এ। তাদের ফেসবুক পেইজ www.facebook.com/alquranervasha । তাদের প্রমোশনাল ভিডিও দেখতে পারেন। সমস্ত প্রসংসা মহান আল্লাহর। দুরুদ ও সালাম তার রসুলের প্রতি। অতঃপর আপনাদের জন্য একটা সুসংবাদ দিচ্ছি যে "আল কুরআনের ভাষা" বইটার দ্বিতীয় সংস্করন (মার্চ-২০১৭) প্রকাশিত হয়েছে। এই সংস্করনে আগের বইটাকে একটু ভেঙ্গে সাজানো হয়েছে যাতে নিজে নিজে বোঝার চ্যালেঞ্জটা নেওয়া যায়। এবং আলহামদুলিল্লাহ এই ব্যাপারে আমরা আশাবাদী যে এবারের "সেলফ এক্সপ্লেইনড" ভার্সনের বইটাতে ৯৮% লেসনে আপনার কোন শিক্ষক দরকার হবে না ইন শা আল্লাহ। প্রথম সংস্করণে ছিলো ৪১৪ পাতা। এক্সপ্লানেশন বাড়াতে গিয়ে পাতা বেড়ে হয়েছে...
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আমি সত্যিই সম্মানিত বোধ করছি এবং কিছুটা আশ্চর্যও হয়েছি আপনারা এতক্ষণ অপেক্ষা করেছেন দেখে আলহামদুলিল্লাহ্। আমার কণ্ঠস্বর কিছুটা ক্লান্ত মনে হতে পারে কারণ আমি আসলেই তাই … আট ঘন্টার টানা লেকচার ছিল কিন্তু আমি ইনশাল্লাহ খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় নিয়ে খুব সংক্ষিপ্ত কিছু কথা শেয়ার করব। এটা এমন একটা বিষয় যা এখন আর তেমন আলোচনায় আসে না কিন্তু এর প্রতি আমাদের মনোযোগ দেয়া প্রয়োজন। কোন সন্দেহ নেই যে এই বিষয়ের প্রতি আমাদের নজর দেয়া দরকার ইনশাল্লাহ। আমি আপনাদের সাথে কথা বলতে চাচ্ছি মুসলিম তরুণদের নিয়ে যারা কোন ধর্মীয় পথের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, বিশেষ করে পশ্চিমা সমাজে। তাদের মাঝে এক সংষ্কৃতি গড়ে উঠেছে। অনেক সময়ই মুসলিম তরুণরা যে জীবন যাপন করে তাকে বলা যেতে পারে … মনে করুন ‘পার্টিইং’ … ঠিক আছে … এবং তারপর জীবনের কোন এক সময় তারা কোন বিশেষ উপলব্ধির মুখোমুখি হয় এবং দ্বীনের পথে চলতে শুরু করে। এমন প্রচুর ভাই-বোন আছে যারা জীবনের কোন এক সময় পরিবর্তিত মানসিকতার ভেতর দিয়ে যায় এবং তারপর ধীরে ধীরে আরও ধার্মিক হয়ে ওঠে। কিন্তু তারপর যা হয় তা হচ্ছে, যখন সময়ের সাথে সাথে তারা আরও ধার্মিক হয়ে ওঠে, তারা অনেক বেশি কড়া হয়ে যায় এবং নিজেদের জন্য নিজেরাই কোন শিক্ষক খুঁজে নেয়। সেই শিক্ষক হচ্ছে কখনো কোন মানুষ, কখনো কোন লেকচার সিরিজ, কখনো কোন ওয়েবসাইট, কখনো ব্লগ, কখনো অপরিচিত কোন নাম কিন্তু সেটা যাই হোক না কেন, তারা নিজেদের জন্য একটা জ্ঞানের উৎস খুঁজে নেয় যেটাকে তারা “সঠিক” বলে মনে করে। এর প্রতি তারা খুবই অনুরক্ত হয়ে পড়ে এবং আস্তে আস্তে যা ঘটতে শুরু করে তা হচ্ছে তারা খুব কঠোর ও অনমনীয় হয়ে ওঠে। তারা লক্ষ্য করতে শুরু করে যে তাদের চারপাশের মানুষরা ঠিক তাদের মতো না।...
“শয়তান বলল (আল্লাহর উপর অভিযোগ দিয়ে) যেহেতু আপনি আমাকে পথভ্রষ্ট করলেন, একারণে আমি অবশ্যই, অবশ্যই, অবশ্যই তাদের (পথভ্রষ্ট করার) জন্য আপনার সরল পথে বসে থাকব”… এখানে শয়তান এরাবিক যে শব্দ ব্যবহার করেছে -তা খুবই গভীর, তা কোন সাধারণ শব্দ নয়। এই একটি শব্দ ভালো করে উপলব্ধি করতে পারলে আমরা শয়তানের পথভ্রষ্টতার পলিসি ধরতে পারব…এবং আমরা এ থেকে বেঁচে থাকব কি না সেটা আমাদের ইচ্ছা আর আল্লাহর রহমতের উপর নির্ভর করবে। আরবীতে জুলুস অর্থ বসে থাকা, কিন্তু কুয়ুদ অর্থ শুধু বসে থাকা নয়, বরং দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, চিন্তাশিলতা নিয়ে বসে থাকা (সূরা আলে ইমরান-১৯১ দেখুন) । এখানে শয়তান শিকার ধরার জন্য বিস্তারিত ও বড়সড় পরিকল্পনা নিয়ে বসে থাকে…কিভাবে? আসুন তবে বসে থাকা(কুয়ুদ) এর একটি উদাহরণ দেখি… একটি বক কিভাবে মাছ ধরার জন্য বসে থাকে(কুয়ুদ)? – সে দেখে তাঁর শিকারের সময় ছায়া পড়বে কি না…যাতে মাছ টের পায়, সে দেখে কখন তীব্র রোধ উঠবে ও মাছ উপরে উঠে আসবে, সে চিন্তা করে এই খাবার এখন না পেলে সে অভূক্ত থাকবে, কষ্টে থাকবে, সে চিন্তা করে কোন এংগেলে গেলে মাছ তাকে দেখবে না, মাছ কোন দিকে মাথা দিয়ে রাখবে এবং সেখানে থাবা দিবে যাতে শক্তি করতে না পারে, —এভাবে বহু চিন্তার পর সে মাছ শিকার করে। এটা কি শুধু বসে থাকলে হবে? …না, কক্ষনই না…বরং দীর্ঘক্ষণ বসে, চিন্তা করে, পরিকল্পনা করে, এর পরেই না তার কাজ সমাধা করতে হয়। তাহলে চিন্তা করুন কত দীর্ঘ সময় তাকে বসে থাকতে হয় একটি শিকার ধরার জন্য। যারা ক্রিমিনলজি পড়েছেন তারা হয়ত জানেন একটি ক্রিমিনালকে ধরতে বা কোন অপারেশন চালাতে কত প্রস্তুতি নিতে হয়, কত মাস, কত দিন ধরে সময় নিয়ে অবস্থান ঠিক করে, লোকজন ঠিক করে, অপরাধীর অবস্থান ভাল মত পর্যবেক্ষণ করে, কোথায়, কিভাবে, কোন...
জানেন, আমরা এটা থেকে কি শিখলাম? কোন কিছুকে বড় করে দেখলেই সেটা বড় ব্যাপার হয়ে যায়। কোন কিছুকে ছোট করে দেখ তাহলেই সেটা সামান্য মনে হবে। জানেন, এই আয়াতে আখিরাতকে বড় এবং দুনিয়াকে ছোট করে দেখানো হয়েছে।পুরো আয়াতটা এটা নিয়েই। দুনিয়াতে আমরা জীবন যাপন করবো। আমাদের ক্যারিয়ার হবে।আমাদের শিক্ষাগত অর্জন থাকবে।আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। এই সব কিছুই জীবনে থাকবে।কিন্তু একটা ব্যাপার কি জানো এই সব কিছু ক্ষণস্থায়ী। সব কিছুই। একদিন আসবে যেদিন এক জমায়েত হবে।এবং সেদিন তারা নামায পড়বে। আর সেদিন তারা একটা ঘোষণা দিবে।যে একটা জানাযা হবে। এবং এই ঘোষণাটা একদিন হবে আমার জন্য এবং একদিন হবে আপনার জন্য। এটা হতে যাচ্ছে এবং একদিন মানুষ আমাদের জন্য জানাজার নামায পড়বে। এবং ততক্ষনে আমরা চিরকালের জন্য চলে গেছি। এবং এটা শীঘ্রই ঘটবে, দেরীতে নয়। আমি বলতে চাচ্ছি আমাদের জীবনের অনেকখানি তো ইতোমধ্যেই কেটে গেছে। সুতরাং এমন নয় যে সেই দিনটা থেকে আমরা দূরে যাচ্ছি, বরং আমরা সেই দিনের আরো কাছে পৌছাচ্ছি। তাই যত তাড়াতাড়ি আমরা এটা আত্মস্থ করি যে, আল্লাহর কাছে যা আছে তা তুলনামূলক ভাবে ভালো। কারন যে কোন ভাবেই হোকনা কেন আমরা সেদিকেই যাচ্ছি। তাহলে আমরা নিজেরা নিজেদেরই উপকার করব । যদি আমরা শুধু এটা শিখতে পারি যে কিভাবে সময়ের সদ্ব্যবহার করতে হয়। যেমনটা আমি বললাম যে আমরা ১০ বছরের পরিকল্পনা করি, ১৫ বছরের পরিকল্পনা করি।কিন্তু আমরা আখিরাতের কথা চিন্তাই করিনা। তাহলে আখিরাতের কথা কিভাবে ভাবা উচিত? কিভাবে আখিরাতের জন্য বাস্তবতা ভিত্তিক পরিকল্পনা করা যায়? আখিরাতের জন্য আমরা ১০ বছরব্যাপী, ১৫ বছরব্যাপী পরিকল্পনা করিনা। আমরা এর জন্য দৈনন্দিন পরিকল্পনা করি। এটা দীর্ঘ সময়ব্যাপী লক্ষ্য নির্ধারণ করা নয়। এটা আজকের দিনটা আপনি কিভাবে ব্যয় করলেন তার সাথে সংশ্লিষ্ট। আপনি তার পরে কি করতে যাচ্ছেন এটা তার...
উস্তাদ নুমান আলী খানের যে সকল ভিডিও আমরা ডাবিং করেছি, তার অডিও লিংক গুলো এখানে শেয়ার করছি। মিডিয়া ফায়ারের যে ফোল্ডারে সব অডিও আপলোড করা আছে তার লিংকঃ http://bit.ly/1xauz9Q সাধারণ লেকচারঃ রোরার্ট ডাভিলার ইসলাম গ্রহনের চমকপ্রমদ কাহিনী আয়াতুল কুরসীর সৌন্দর্য অনুমান নির্ভর চিন্তাচেতনা কুর’আনের রত্ন সিরিজঃ কুর’আনের রত্ন – সম্পদ অর্জনে নৈতিকতা কুর’আনের রত্ন – অন্যদের প্রতি নিরাশ না হওয়া কুর’আনের রত্ন – অভিযোগ না করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন কুর’আনের রত্ন- অশ্লীলতা বনাম শুদ্ধতা কুর’আনের রত্ন – আল্লাহ সাধ্যের বাইরে কিছু আদেশ করেন না কুর’আনের রত্ন – আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা শয়তানের কুমন্ত্রনা থেকে কুর’আনের রত্ন – আল্লাহর ভালবাসা থেকে নিরাশ হয়ো না কুর’আনের রত্ন – ইনশাল্লাহর গুরুত্ব কুর’আনের রত্ন – কিভাবে কল্যাণ লাভ করা যায় কুর’আনের রত্ন – কীভাবে আপনি দ্বীনে অবদান রাখতে পারেন কুর’আনের রত্ন – যারা আল্লাহকে অপমান করে (না’উজুবিল্লাহ) কুর’আনের রত্ন – বয়ফ্রেন্ড গার্লফ্রেন্ড ও লালসা কুর’আনের রত্ন – রামাদান তোমরা গণনা পূর্ণ কর কুর’আনের রত্ন সিরিজ আয়াত ৬৭ কুর’আনের ভাষাগত মু’জিযাঃ কুর’আনের ভাষাগত মু’জিযাঃ পর্ব ১ – বিষয়ঃ ভ্রাতৃত্ব কুর’আনের ভাষাগত মু’জিযাঃ পর্ব ২ – বিষয়ঃ ইয়াসরিব নাকি মদীনা কুরআনের ভাষাগত মু’জিযাঃ পর্ব ৩ বিষয়ঃ মক্কা নাকি বাক্কা কুর’আনের ভাষাগত মু’জিযাঃ পর্ব ৪ – বিষয়ঃ প্রশান্তি কুর’আনের ভাষাগত মু’জিযাঃ পর্ব ৫ – বিষয়ঃ এই এবং ঐ কুর’আনের ভাষাগত মু’জিযাঃ পর্ব ৬ – বিষয়ঃ শান্তিময় শহর না শহরটি শান্তিময় কুর’আনের ভাষাগত মু’জিযাঃ পর্ব ৭ – বিষয়ঃ ইমরাআ নাকি যাউজ. কুর’আনের ভাষাগত মু’জিযাঃ পর্ব ৮ – বিষয়ঃ আল্লাহর নেয়া শপথ কুর’আনের ভাষাগত মু’জিযাঃ পর্ব ১০ – বিষয়ঃ প্রাঞ্জল বিবরণ ...