উস্তাদ নুমান আলী খান

নুমান আলী খান একজন মুসলিম দা’ঈ। কুর’আন এর জ্ঞানে তার অসাধারণ গভীরতা এবং সুন্দর উপস্থাপনা শৈলীর কারণে সমগ্র বিশ্বের তরুণ প্রজন্মের কাছে তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশ এবং বাংলাভাষাভাষী অনেক ইসলাম অনুরাগী তরুণ তাঁর অসাধারণ আলোচনা থেকে উপকৃত হচ্ছে নিয়মিত …

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

আমাদের সাথে সংযুক্ত থাকুন

বর্তমানে আমরা ফেইসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল এ নুমান আলী খানের লেকচার গুলো নিয়মিত প্রকাশ করছি এবং এই ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে তা শ্রেণীবদ্ধ ভাবে সংরক্ষণ করছি। আপনি আমাদের ফেইসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল লাইক /সাবস্ক্রিপশন করে আমাদের সাথে আরো নিবিড় ভাবে সংযুক্ত থাকতে পারেন।

আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অভিনন্দন…

সংযুক্ত থাকুন

ভিডিও + প্রতিলিপি

No Results Found

The page you requested could not be found. Try refining your search, or use the navigation above to locate the post.

প্রবন্ধ

আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কে যারা অপমান করে

আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কে যারা অপমান করে

নূহ (আঃ) অভিযোগ করেছেন কীভাবে মানুষ তাঁকে জঘন্য ভেবেছে। এবং কীভাবে তারা তাদের কানে আঙ্গুল দিয়ে তাঁর থেকে দূরে সরে গিয়েছে এবং তাদের কাপড় টেনে ধরেছে তাঁর প্রতি তাদের অশ্রদ্ধা প্রকাশ করতে। এবং আমাদের রাসূল (সাঃ) এর কোন ব্যতিক্রম নন। এই কুরআন যা আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সম্মানিত করেছে, এমন কিছু শব্দও এতে সঙ্কলিত করেছে যা সবচেয়ে কষ্টদায়ক, যা তাঁকে বলা হয়েছিল এবং ওসব রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে আওড়াতে হতো, স্মরণ করতে হতো যা তাঁর সম্পর্কে বলা হয়েছিলো। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সাহির (যাদুকর), মাজনুন (পাগল), কাজ্জাব (পাকা মিথ্যেবাদী) আরো কতো অপবাদ আমাদের রাসূল (সাঃ)-এর বিরুদ্ধে আনা হয়েছিলো এবং এর সবই কুরআনে আছে এবং আল্লাহ্‌ চান যেন আমরা এগুলো স্মরণ করি যে এটা সত্যি, যে সব রসূলগণ, যদিও তাঁরা আল্লাহ্‌র সবচেয়ে মহান সৃষ্টি এবং আল্লাহ্‌ নিজে তাদেরকে সম্মানিত করেছেন পাশাপাশি তারাই সবচেয়ে কঠিন অপমান এবং বিদ্রুপের স্বীকার হয়েছেন। কিন্তু এর জবাব কেমন হওয়ার কথা? এবং রাসূলাল্লাহ্‌ (সাঃ) এর অপমানে কারো যদি রাগে, ক্ষোভে ফেটে পড়ার কথা আমার মতে সেটা হবার কথা রাসূলাল্লাহ্‌ (সাঃ)-এর সাহাবীদের। যাঁদের বিশ্বাসের সাথে আমার বা আপনার তুলনাই চলে না। কিন্তু কই উনারা ওভাবে জবাব দেননি যেভাবে আমরা দেই? কই ওনারা তো কোন ‘মিছিল’ করেননি? কই ওনারা তো বাইরে গিয়ে রাগে-ক্ষোভে চিৎকার চ্যাঁচামেচি করেননি? কারণ তাঁরা জানতেন কুরআন শুধু রাসূল (সাঃ)-এর জন্য তাদের ভালোবাসা দিতে আসেনি বরং কিভাবে সেই ভালোবাসাটা নিয়ন্ত্রণ করতে হয় সেটা শেখাতে এসেছে। বরং কিভাবে এইসব অপমানের জবাব দিতে হয়ে তাও শেখাতে এসেছে। কীভাবে আমরা এটা জানি না যে রাসুল (সাঃ)-কে বলা হয়েছে, وَاصْبِرْ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ তারা যা কিছু বলুক ধৈর্য্য ধারণ কর। [আজ-মুজাম্মিল (৭৩:১০)] আমি এই আয়াতে বিমোহিত। কারণ ‘مَا’ মানে ‘যাকিছু’। ‘যাকিছু’ তারা বলে। যাকিছু তারা বলেছে নয়,...

মু’জিযা

No Results Found

The page you requested could not be found. Try refining your search, or use the navigation above to locate the post.

Facebook Like

সাথেই থাকুন

 

<—-Facebook & YouTube —->

Youtube Subscriber