আয়াতুল কুরসী – আল কুর’আনের এক অসাধারণ সৌন্দর্য

মিডিয়াফায়ার ডাউনলোড লিংক আয়াতুল কুরসী – আল কুর’আনের এক অসাধারণ সৌন্দর্য আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। উস্তাদ নুমান আলী খান এর কাজগুলো বাংলায় অনুবাদ করে বাংলাভাষী সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার নিয়্যাতে আমাদের এই ফেসবুক পেজের যাত্রা শুরু। আলহামদুলিল্লাহ, যাত্রার শুরুতেই আপনাদের সকলের কাছ থেকে যে বিপুল আন্তরিক অভ্যর্থনা ও দু’আ আমরা পেয়েছি সেটা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা এর পক্ষ থেকে তাঁর রাহমাহ ও বারাকাহ ছাড়া আর কী হতে পারে! আল্লাহ আমাদের সকলের জন্য তাঁর দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজকে আরও অনেক সহজ করে দিন। আল্লাহুম্মা আমিন। ইন-শা-আল্লাহ সামনের দিনগুলোতে আমরা আমাদের কাজগুলো নিয়ে আপনাদের সামনে আসছি। প্রত্যাশা রইলো আপনাদের আন্তরিকতা ও দু’আ আমাদের জন্য সবসময় অব্যাহত রাখবেন। জাযাক আল্লাহু খাইরান...
সুর ও আল-কুর’আনের মু’জিযা

সুর ও আল-কুর’আনের মু’জিযা

  যারা আরবী জানেন ও যারা জানেন না – তারা এই শব্দগুলোকে একটু মনযোগ দিয়ে উচ্চারণ করুন আর দেখুন কোনো মিল খুঁজে পান কি না: যাকারিইইয়া, খাফিইইয়া, শাকিইইয়াহ, রাজিইইয়াহ, ওয়ালিইইয়া, শারিইইয়া, নাবিইইয়া, হাইইয়া ইত্যাদি। যারা আরবী জানেন না তারা কি কিছু লক্ষ্য করেছেন? যারা আরবী জানেন না তারা নিশ্চয় শব্দগুলো কীভাবে উচ্চারিত হচ্ছে তা লক্ষ্য করেছেন। সবগুলো একই সুরে অন্তমিলের সুর ছড়াচ্ছে। এটি সূরা মারিয়ামে রয়েছে, যা পবিত্র কুর’আনের অন্যান্য সূরার মতোই একটি সূরা। প্রত্যেকটি আয়াতের সমাপান্তে শব্দগুলোতে অন্তমিলের সুরবিন্যাস রয়েছে। যিকরু রাহমাতি রাব্বিকা আব্দাহু যাকারিইইয়াহ, ইজ নাদা রাব্বাহু নিদাআন খাফিইইয়া (২-৩) ইত্যাদি। আর এভাবে এটা সমাপান্তে সুর করে চলতেই থাকছে…চলতেই থাকছে…। কিন্তু, কিছুদূর যাওয়ার পর কী দেখতে পেলেন? সূর পাল্টে গেছে (ইয়ামতারুন)?!! কিন্তু কেন? এটা আর আগের শব্দগুলো খাফিইইয়হ, শাকিইইয়া বা ইনশিইইয়া এগুলোর মতো সুর মিলছে না শব্দান্তে। এখন শুরু হয়েছে শব্দান্তের মিলের ভিন্ন সুরধ্বনি: ইয়ামতারুন, ফা ইয়াকুন, মুস্তাকুন, আযিম, মুবিন, ইউমিনুন। সুতরাং, এভাবে আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে, প্রাথমিক কিছু আয়াত যেগুলো একই সুরের অন্তমিলের সুরধ্বনি, আর কিছুদূর যাওয়ার পর একই সূরায় অন্তমিলের ভিন্ন সুরধ্বনি। অথচ একই সূরায়, কিছুদূর যাওয়ার পর হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে ভিন্ন সুর। যখন বিষয়টি ছিল একই, নবীদের কাহিনী, তখন সূরের অন্তমিলের ধ্বনিও ছিল একই-অভিন্ন। কিন্তু যখনই বিষয়টি (Topic of Subject) পরিবর্তিত হয়েছে তখনই ভিন্ন অন্তমিলের সুরধ্বনি এসেছে। এটা এক প্রকার প্যারাগ্রাফ-এর মতো যেখানে প্রতি প্যারায় একই টপিকের ভিন্ন ভিন্ন দিকের আলোচনার মতো। আপনি স্পেস দেন লেখায়, ট্যাব চাপেন বেশি দূরে যাওয়ার জন্য, সরিয়ে নেন, একটার উপর আরেকটা লেখেন, বা অনেকটটা জায়গা ছেড়েও দেন লেখার বিভিন্ন ধরণের জন্য। কিন্তু কুর’আনে এগুলো নেই! তাহলে কুর’আনে কী আছে? এটার রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন সুরবিন্যাস। যেহেতু একটি বিষয় পরিবর্তিত হয়েছে, আর সেজন্য শ্রোতা যাতে বুঝতে পারে যে এখন...